Author: Sushen Biswas
ঈশ্বরীয়
ধক করে ওঠে
ঈশ্বরী আসে
যখন।
দুমরে মুচরে যায়
সেখানটার ভেতরটায়
যখন দেবী মুখছবিতে
ধরা দ্যায় আবার
ধরা দেয় বারবার।
মুচরিয়ে ওঠে
সেখানটায় ভেতরটায়
যখন দেবী আসে।
মুখছবি নিয়ে সে আসে
মধ্যরাতে।
ঘুম ভাঙ্গা কালে
কলে আকালে
ঈশ্বরী আসে।
দূর্তি
তোমার নগরী ছেরে যাচ্ছি
যাচ্ছি আমি বহু দুরে
তোমার আচল ছেরে
আমি যাচ্ছি যাচ্ছি দুর অদুরে।।
যেখনে কালোবন সিদ্ধার্থ ছিল
যেখানে চকোলেট দীঘল কালো
সে মায়া বন ডাকছে আমায়
সেখানেই প্রান মোর শান্ত হল।।
হিজল তলটা তোমারি আছে
তালগাছ দাড়িয়ে কোরাসে বাজে
সেই মায়বন প্রানেতে তোমার
দাড়িয়ে দেখ তুমি কোন সাঝে।।
নভেম্বর
পাহার কে নভেম্বর যেন
সব আনন্দ দেয়
তোমার চেখে শেতশুভ্র
দেখিয়েছিল আমায়।
জলামুখ হীন আগ্নেয়গিরি
অনন্দ সব জমা
ছুটবে সে জনপদে
ছরিয়ে শান্ত ক্ষমা।
সেই আনন্দে ভাসে যেন
গন জন পদ
মুক্তা মাখা হাসি এসে
নিবে শপথ।
অদুর
স্মৃতি ভ্রস্টার স্মৃতি সারাতে
দুরে সরে যেতে হয়
বিপদে আপদে ভাসা নৌকা
আবার ফিরবে লোকালয়ে।
স্বর্গের সুখ লাগে অসুখ
বোনের ভালোবাসা
গন হৃদয়ে হিংসা বিজ
শেষ যুদ্ধে গাধা খোজে আশা।
অপ্রেমিয় পাহাড়
কারা যে বাঙ্গালী হোয়ে আজ চায়?
শুদ্রের মত কৃষি জমি
কিন্তু সে জমিকে আতঙ্কিত করতে চায়।
সে চায় চাকমার পাহার
কিন্তু সে পাহাড়কে আক্রমণ করতে চায়।
সে চায় সুন্দরী আর গোলপাতার পাটি
কিন্তু সে বনদেবীকে করতে চায় ধর্ষন।
সে সব কিছুকে চায়
প্রেমিক হৃদয় বোঝেনা
এমন চাওয়ার প্রেম, উৎপাদন করেনা।
সে আজ মন থেকে বিতাড়িত
ফসল তাকে না চেয়ে নিস্ফলা
পাহার তাকে বিনিময় করবে যা পেয়েছে।
এ ভূমি ধর্ষিতায় বোধন হওয়া ধর্ষকের ভূমি।
এ ভূমি কর্ষকের ভূমি।
জন্মেছে মৃত গোলাপ
জমেছে অনেক ঋন
ঠোঁটে ঘাড়ে গালে
শোধ নেবে শব্দ
আর মহাকালে।
ধ্যানে মগ্ন মহাদেব
ধংশ থামতে নতশীরে
ব্যাস্ত যখন কালের অকালে
পার্বতির বেশে উর্বশি ছিলে।
তান্ডবের ঝঙ্কার বিন্দুতে আজ
গন দেবতার সব বোকার সাজ
শিশুতোষ কৌতুহল শবের সমাধি
ভয় পেয়ে ইন্দ্রের ঝলকানির বাজ।
সংহার পিন্ড গলা নদ ভারি
পালাবার পথ গেছে মুছে
গড়িয়ে কষা লাল কনিকা
তোমার ঋনের বোঝা বইছে নগরী।
তোমার পায়ে নিচে যে ভুলে এসেছিল
ভবেছিল শর্বরীর ক্রোধ হবে তৃপতাকা
তোমার মুকুটে ধোয়া ওঠা পঞ্চদশ দল
প্রজ্ঞার কপালের তাই কৃষ্ণপক্ষ ফল।
সুশেন বৌক্লার রাজনীতি
আমি সংলাপিয় প্রজ্ঞার পক্ষে, সাধুতার ভন্ডামিতে যেখানে বস্তুুবাদি সংলাপ ঢাকা পড়ে সেখানে নৈরাজ্য অবসম্ভাবি। নৈরাজ্য অজ্ঞেয়বাদকে সর্বচ্চস্তরে নিয়ে যায়। মানুষ বুদ্ধির ভয়ংকর সংকটে মিশতে পাড়েনা কোন যুক্তির সাথে।
আমি গনতন্ত্র চাইনা, চাই উদার গণতন্ত্র।
পেশাজীবিদের সর্বচ্চ সদ্ব্যাবহার, মর্জাদার ব্যাবস্থায় করতে চাই
সিটিজেন কেনের রোসবার্ড
চলচ্চিত্রের গ্রামার থেকে বাংলা বানান নীতি খুব ভোগাচ্ছে , কিন্তু এই গ্রামাটিকাল চলচ্চিত্রটি নিয়ে না বললে ঋণ থেকে যায় । বিভিন্ন টাইপের শর্ট কাট শিখেও চারদিকের ফ্লিম মেকাররা গল্পটা কেন শেষ প্রজন্ত্র বলে উঠতে পাড়েনা সেই উত্তর এই লেখাটায় খোজা হয়েছে । ভূমিকা শেষ আলাপে আসি ।
সিটিজেন কেন একটি চমৎকার চলচ্চিত্র তাতে খুব কম মানুষেরেই সন্দেহ আছে। রবার্ট উইস চমৎকার এডিটিং করেছেন, ভ্যান নেস্ট তার আর্ট ডিরেকশনের জন্য ইতিহাসে থেকে জাবেন, সর্বপোরি ওরসন ওয়েনসকে অমর করে রাখবে এই চলচিত্র টি,বোদ্ধাদের কাছে যেমনি সাধারন মানুষের কাছে ঠিক তেমনি ।সিটিজেন কেন চরিত্রটিতেই ওরসন ওয়েলস বেচে থাকবেন যতদিন চলচিত্র নামক বস্তুটি থাকবে।
পুরো চলচিত্রটিতে যে শব্দটা নিয়ে খেলা করা হয়েছে তার নাম ” রোসবর্ড” ।এই শব্দটা দিয়ে শুরু আর শেষ হয়েছে এই শব্দটা দিয়েই ।এটাকে আমরা দর্শক ধোরে রাখার কৌশন বলি আর ” আন্টিসিপেসন” বলি যাই বলি শব্দটার মহত্ব আছে।পুরো চলচ্চিত্র জুরে ব্যবহার হয়েছে শব্দটা।
চলচিত্রটির প্রথম বার কেনের মৃত্যুর সময় ব্যবহার হয়েছে শব্দটি।জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..
দ্বিতীয় বার কেনের মৃত্যুর সময় ব্যবহার হয়েছে যে শব্দটি তা বার বার বলতে থাকে ,খুজে বের করার পরিকল্পনা করা হয় এবং কে সে বা সেই বস্তু তার খোজে বেরোয় একদল রিপোর্টার। আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..
তৃতীয় বার শুশান আলেকজান্ডা এর সাথে কথা বলতে না পেরে তাকেই মনে করা হয় ” রোসবর্ড” এবং এই কথাটি উঠে আসে টেলিফোনে কথপোকথনের মধ্য দিয়ে।* শুশান আলেকজান্ডা তরিয়ে দেয় রিপোর্টর দের। আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..
চতুর্থবার তার ছোটবেলা থেকে ৬০ বছর দেখানোর পরে ডাইরি ক্লোজ করা হয় ঐ খানের কর্মরত নরীকেই বলা হয় সে ” রোসবর্ড” কিনা । *কেনের ছোট বেলা জানতে পরি আরও জানতে পারি কিভাবে কেন নিউজপেপার ব্যাবসায় নামে কিন্তু “রেজবর্ড” সমস্যার সমাধান হয় না আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..কিন্তু এখানে পাওয়া যায় মি. বার্নস্টিকে
পঞ্চমবার বোর্ঢের চেয়ারম্যন মি. বার্নস্টিনের কাছে জানতে চাওয়া হয় ” রোসবর্ড” সমন্ধে।*সে কি কৌশলে নিউজপেপার ব্যবসাচালাত সেখান থেকৈ
আরম্ব করে এমিলি নরটনের সাথে কিভাবে বিয়ে হয় তা বলে কিন্তু চাপা পরে যায় ”রোঝবার্ড” আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. .. কিন্তু এখানে পাওয়া যায় কেনের বন্ধু মিষ্টার লিল্যান্ডকে
ষষ্ট বার এই শব্দটার অর্থ জানতে চাওয়া হয় কেনের বন্ধু মিষ্টার লিল্যান্ড এর কাছে।*সে কেনের গভর্নর নির্বাচনের প্রচর থেকে আরম্ব করে কিভাবে নরটনের সাথে বিচ্ছেদ এবং শুশান আলেকজান্ডার এর সাথে কিভাবে বিয়ে হয় সব বলে কিন্তু চাপা থাকে শুধু ”রোসবর্ড” রহস্য আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. .. এখানে পাওয়া যায় আবার কেনের স্ত্রী শুশান আলেকজান্ডাকে ।
সপ্তম বার আবার শুশান আলেকজান্ডার এর কাছে যাওয়া হয় ” রোসবর্ড” কি বা কে তা জানতে।*সে সব বলে তার সাথে প্রথম দেখা থেকে শুরু বিচ্ছেদ প্রজন্ত শুধু বলতে পারেনা ” রোজবর্ড” সমন্ধে আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. .. .. কিন্তু এখানে পাওয়া যায় জেনেডু প্যালেসের ” প্রধান কর্মচারিকে যে তদের শেষ কথার সময় উপস্থিত ছিল ।
অস্টমবার ”জেনেডু প্যালেসের ” প্রধান কর্মচারির কাছে জানতে চাওয়া ” রোসবর্ড” সমন্ধে ।প্রধান কর্মচারির কাছ থেকে জানা যায় যখন শুশান আলেকজান্ডার কেনকে ছেরে যখন চলে যায় তখন এই ” রোসবর্ড” শব্দটি সে উচ্চারন করে এবং এর বেশি কিছু সে জানে না।
চলচিত্রের শেষে এই রহস্য যদিও উৎঘাটিত হয় তবে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো কিভাবে একটা শব্দের আন্টিসিপেসন দিয়ে বলা হয়েছে এত ঘটনাবহূল একটি মানূষের জীবন যে নিজে চালাত কয়েকটি সংবাদপত্র এবং আজীবন নিজেই ছিল সংবাদ.. ..
শর্টকাটে কিম্বা লংকাটে জাম্পকাটে ম্যাসকাটে গল্প বলা জায়না ওটা স্নাপশর্ট সাজানোর পদ্ধতি, কিম্বা স্মৃতির রি ক্রিয়েশন । এটা মাথা কিম্বা পর্দা দুই জায়গাতেই বিরক্তিকর। পূর্বধারনার ধারনা থেকে ভাবা লাগে। একটা চলচ্চিত্র হতে গেলে তখন মানুষ সেটা শ্রেনীভেদে সেবন করে ।