নতুন চোখ

দুরের অবয়ব ধুসর হোয়ে আসে
হারিয়ে ফেলতে হয় তাকে নিমেশে
ঝলকেই যার কুর্নিস বেড়িয়ে
নতুন চোখ নতুনেই হাসে।

রাতের ছায়া মায়হীন মমতা
শুয়োরের পাল জাবর আনন্দে ভাসে
জ্যামিতক পথ প্রান্ত দেখিয়ে
অস্তিত্ব নীরে নিয়ে আসে।

ঈশ্বরীয়

ধক করে ওঠে
ঈশ্বরী আসে
যখন।

দুমরে মুচরে যায়
সেখানটার ভেতরটায়
যখন দেবী মুখছবিতে
ধরা দ্যায় আবার
ধরা দেয় বারবার।

মুচরিয়ে ওঠে
সেখানটায় ভেতরটায়
যখন দেবী আসে।

মুখছবি নিয়ে সে আসে
মধ্যরাতে।
ঘুম ভাঙ্গা কালে
কলে আকালে
ঈশ্বরী আসে।

দূর্তি

তোমার নগরী ছেরে যাচ্ছি
যাচ্ছি আমি বহু দুরে
তোমার আচল ছেরে
আমি যাচ্ছি যাচ্ছি দুর অদুরে।।

যেখনে কালোবন সিদ্ধার্থ ছিল
যেখানে চকোলেট দীঘল কালো
সে মায়া বন ডাকছে আমায়
সেখানেই প্রান মোর শান্ত হল।।

হিজল তলটা তোমারি আছে
তালগাছ দাড়িয়ে কোরাসে বাজে
সেই মায়বন প্রানেতে তোমার
দাড়িয়ে দেখ তুমি কোন সাঝে।।

নভেম্বর

পাহার কে নভেম্বর যেন
সব আনন্দ দেয়
তোমার চেখে শেতশুভ্র
দেখিয়েছিল আমায়।

জলামুখ হীন আগ্নেয়গিরি
অনন্দ সব জমা
ছুটবে সে জনপদে
ছরিয়ে শান্ত ক্ষমা।

সেই আনন্দে ভাসে যেন
গন জন পদ
মুক্তা মাখা হাসি এসে
নিবে শপথ।

অদুর

স্মৃতি ভ্রস্টার স্মৃতি সারাতে
দুরে সরে যেতে হয়
বিপদে আপদে ভাসা নৌকা
আবার ফিরবে লোকালয়ে।

স্বর্গের সুখ লাগে অসুখ
বোনের ভালোবাসা
গন হৃদয়ে হিংসা বিজ
শেষ যুদ্ধে গাধা খোজে আশা।

অপ্রেমিয় পাহাড়

কারা যে বাঙ্গালী হোয়ে আজ চায়?


শুদ্রের মত কৃষি জমি

কিন্তু সে জমিকে আতঙ্কিত করতে চায়।


সে চায় চাকমার পাহার

কিন্তু সে পাহাড়কে আক্রমণ করতে চায়।

সে চায় সুন্দরী আর গোলপাতার পাটি

কিন্তু সে বনদেবীকে করতে চায় ধর্ষন।


সে সব কিছুকে চায়

প্রেমিক হৃদয় বোঝেনা

এমন চাওয়ার প্রেম, উৎপাদন করেনা।


সে আজ মন থেকে বিতাড়িত

ফসল তাকে না চেয়ে নিস্ফলা

পাহার তাকে বিনিময় করবে যা পেয়েছে।


এ ভূমি ধর্ষিতায় বোধন হওয়া ধর্ষকের ভূমি।

এ ভূমি কর্ষকের ভূমি।

জন্মেছে মৃত গোলাপ

জমেছে অনেক ঋন

ঠোঁটে ঘাড়ে গালে

শোধ নেবে শব্দ

আর মহাকালে।


ধ্যানে মগ্ন মহাদেব

ধংশ থামতে নতশীরে

ব্যাস্ত যখন কালের অকালে

পার্বতির বেশে উর্বশি ছিলে।


তান্ডবের ঝঙ্কার বিন্দুতে আজ

গন দেবতার সব বোকার সাজ

শিশুতোষ কৌতুহল শবের সমাধি

ভয় পেয়ে ইন্দ্রের ঝলকানির বাজ।


সংহার পিন্ড গলা নদ ভারি

পালাবার পথ গেছে মুছে

গড়িয়ে কষা লাল কনিকা

তোমার ঋনের বোঝা বইছে নগরী।


তোমার পায়ে নিচে যে ভুলে এসেছিল

ভবেছিল শর্বরীর ক্রোধ হবে তৃপতাকা

তোমার মুকুটে ধোয়া ওঠা পঞ্চদশ দল

প্রজ্ঞার কপালের তাই কৃষ্ণপক্ষ ফল।

সুশেন বৌক্লার রাজনীতি

আমি সংলাপিয় প্রজ্ঞার পক্ষে, সাধুতার ভন্ডামিতে যেখানে বস্তুুবাদি সংলাপ ঢাকা পড়ে সেখানে নৈরাজ্য অবসম্ভাবি। নৈরাজ্য অজ্ঞেয়বাদকে সর্বচ্চস্তরে নিয়ে যায়। মানুষ বুদ্ধির ভয়ংকর সংকটে মিশতে পাড়েনা কোন যুক্তির সাথে।

আমি গনতন্ত্র চাইনা, চাই উদার গণতন্ত্র।

পেশাজীবিদের সর্বচ্চ সদ্ব্যাবহার, মর্জাদার ব্যাবস্থায় করতে চাই