Zahlen (সংখ্যা )

Die Zahlen. Hören Sie den Zahlen-Rap und sprechen Sie dann laut mit.

0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10 =

null, eins, zwei, drei, vier, fünf, sechs, sieben, acht, neun, zehn.

(শূন্য, এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ।)

11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 =

elf, zwölf, dreizehn, vierzehn, fünfzehn, sechzehn, siebzehn, achtzehn, neunzehn, zwanzig

(এগারো, বারো, তের, চৌদ্দ, পনের, ষোল, সতের, আঠারো, উনিশ, বিশ)

Wie heißen Sie?

Spielen Sie Dialoge

Wie heißt du?

(আপনার নাম কি?)

Ich heiße Jan.

(আমার নাম ইয়ান।)

Woher kommst du?

(তুমি কোথা থেকে আসছো?)

Aus Frankfurt.

(ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে।)

Und wo wohnst du?

(এবং তুমি কোথায় থাকেন?)

In Zürich.

(জুরিখে।)

Guten Tag! Auf Wiedersehen! (শুভ দিন! গুডবাই!)

Guten Tag. Wie heißen Sie? Hören Sie und lesen Sie. Wie heißen die Personen? (শুভ দিন. তোমার নাম কি? শোনো এবং পড়. এই ব্যক্তিদের কীভাবে বলা হয়?)

Guten Morgen, Mein Name ist Nina Weber.

(শুভ সকাল, আমার নাম নিনা ওয়েবার।)

Guten Morgen, Frau Weber! Ich heiße Hansen, Otiver Hansen.

(গুড মর্নিং, মিস ওয়েবার! আমার নাম হ্যানসেন, অটিভার হ্যানসেন।)

Guten Tag Frau Kowalski.

(হ্যালো মিসেস কোওলস্কি।)

Guten Tag. Frau Weber. Wie geht es Ihnen?

(শুভ দিন. মিসেস ওয়েবার আপনি কেমন আছেন?)

Danke gut. Und Ihnen?

(ভালো ধন্যবাদ. এবং তুমি?)

Auch gut. Danke.

(ভাল হিসাবে ভাল. ধন্যবাদ.)

Guten Tag. Frau Weber.

(শুভ দিন. মিসেস ওয়েবার)

Hallo, Herr Hansen.

(হ্যালো, মিঃ হানসেন)

Das ist meine Kollegin, Natalia Kowalski.

(এটি আমার সহকর্মী নাটালিয়া কোওলস্কি।)

Guten Tag, Frau Kowalski, Mein Name ist Hansen.

(হ্যালো, মিসেস কোওলস্কি, আমার নাম হানসেন।)

Guten Tag! Entschuldigung, wie heißen Sie?

(শুভ দিন! দুঃখিত, আপনার নাম কি?)

Oliver Hansen.

(অলিভার হ্যানসেন।)

Auf Wiedersehed, Herr Hansen.

(বিদায়, মিঃ হানসেন।)

Tschüs, Frau Weber.

(বাই, মিসেস ওয়েবার…)

Auf Wiedersehen, Frau Kowalski.

(বিদায়, মিসেস কোওলস্কি।)

Auf Wiedersehen!

(গুডবাই!)

Hallo! Tschüs! (ওহে! বিদায়!)

Hallo! Wer bist du? Hören Sie und lesen Sie. Wie heißen die Personen? (ওহে! তুমি কে? শোনো এবং পড়. এই ব্যক্তিদের কীভাবে বলা হয়?)

Hallo Nina!

(হ্যালো নিনা!)

Hallo Gregor! Wie geht’s?

(হ্যালো গ্রেগর! আপনি কেমন আছেন?)

Danke, sehr gut! Und dir?

(খুব ভালো ধন্যবাদ তোমাকে! এবং তুমি?)

Es geht, danke.
(ঠিক আছে, ধন্যবাদ)

Hallo Nina!

(হ্যালো নিনা!)

Hallo Julia! Wie geht’s?

(হ্যালো জুলিয়া! আপনি কেমন আছেন?)

Danke, gut. Und dir?

(ভালো ধন্যবাদ. এবং তুমি?)

Es geht.

(এটা কাজ করে)

Hallo, ich bin Julia. Und du? Wer bist du?

(হ্যালো, আমি জুলিয়া। এবং তুমি? তুমি কে?)

Ich heiße Gregor.

(আমি গ্রেগর।)

Entschuldigung, wie heißt du?

(মাফ করবেন, আপনার নাম কি?)

Gregor

(গ্রেগর)

Tschüss!

(বিদায়!)

Tschüss Julia! Bis bald!

(বাই জুলিয়া! শীঘ্রই আবার দেখা হবে!)

Tschüss!

(বিদায়!)

আমি উদ্দীপনা কিভাবে বিচার করি

রাশেদ, শিরাজ, মুজিব তিন বন্ধু, তিনজন বাংলার ইতিহাস বই লিখবে, ১০০০ পৃষ্ঠার বই। কে বইটি লিখে শেষ কোরতে পাড়বে এই প্রশ্নের উত্তরে আমার বিচার লুকিয়ে আছে।

তিন বন্ধু শরিফ স্যারের ছাত্র। বইটি লেখার পরামর্শ আর বই পত্র তারা স্যারের কাছ থেকে পায়। সময় আর পরামর্শ শরিফ স্যার দেবে কথা দিয়েছে।

স্যারের বাসার ছাদ বাগানে ৪ জন আড্ডায় বসেছে। সিরিয়াস আলোচনা চলছে।

শরিফ স্যার রাশেদকে প্রশ্ন করলো বইটি লেখার জন্য কিভাবে সময় ভাগ করবে?

রাসেদ খুবেই উদ্দীপ্ত, স্যারকে বলল এক বসাতেই বইটি শেষ করতে চায়, স্যার খুশি হল ওর উৎসাহ দেখে।

শরিফ স্যার শিরাজ কে একেই প্রশ্ন করলো।

শিরাজ আরো সিরিয়াস ভবে বলল সে যখনেই আনুপ্রেরনা পাবে কিচ্ছু কেয়ার করবে না লিখতে বসে যাবে। শিরাজ কে দেখে স্যার আর খুশি হলো।

মুজিবকে স্যার একই প্রশ্ন করলো।

মুজিব বলল স্যার প্রতিদিন সকালে ঘুম ভাঙ্গার পড়ে ১ ঘন্টা লিখবো, আর ১০ পৃষ্ঠা করে লিখতে চেষ্টা করবো। আর হিসেব মত বইটি ১০০ দিনে শেষ হওয়ার কথা (১০০০ ÷ ১০ = ১০০), আমার ধরনা বইটি আমার ৫০ দিনে লেখা শেষ হবে।

শরিফ স্যার বলল কিভাবে ৫০ দিনে হবে?

মুজিব বলল প্রথম কদিন ১ ঘন্টা লিখলেও কিছুদিনের মধ্যে আমর ধারনা ২ ঘন্টা করে লিখতে পাড়ব আর শেষ দিকে ৩ ঘন্টা করে লিখতে পাড়বো, মানে গড়ে ২ ঘন্টা, এভাবে ১০০ দিন থেকে কমে ৫০ দিনে চলে আসবে।

তুমি কেন রাসেদের মত এক বসাতে লিখবেনা?

স্যার প্রথমেই যদি রাসেদের মত আরম্ব করি ২ দিনে ৫০ থেকে ৬০ পৃষ্ঠা লিখে উদ্দিপনা হারাবো। আর বোসে থাকতে থাকতে নিতম্ব ব্যাথা হোয়ে যাবে।

তুমি কেন শিরাজের মত লিখবেনা?

শিরাজ মেধাবি যখন মূল্যবান কিছু পাবে সেই উদ্দীপনাতে লিখে যাবে। কিন্তু মানুষ খুব দ্রুত স্মৃতি হারায়, ও লিখতে আরম্ব করবে বাঙ্গালীর ইতিহাস নিয়ে লেখা শেষ করবে হয়ত চামুণ্ডার ইতিহাস দিয়ে। লেখাটি ভালো হবে, আবার ও একদম ভুলে যেতে পাড়ে ও বাঙ্গালী ইতিহাস লিখছে আমাদের সাথে কিম্বা বাঙ্গালীর ইতিহাস লেখার বিষয়টিয়েই গুরুত্ব হারাতে পাড়ে ওর কাছে, আমি চেতনাটাকে ঝুঁকিতে ফেলতে চাই না।

তোমাদের জন্য শুভকামনা, আমার কোনো নিজস্ব মতামত নেই।

তথ্য জ্ঞান বাড়ায় আর কথা প্রজ্ঞা বাড়ায়।

সুশেন বিশ্বাস

একথা আমিও বিশ্বাস করি।

তোমারা আলোচনা করে আমাকে জানও কিভাবে লিখতে চাও। আর আমাদের কথা যারা শুনলেন তারা নিচে মন্তব্য করে আপনার আবস্থান আর যুক্তি জানান।

বাস্তবতা চিন্তা এবং আবেগহিনতা

মানুষের জীবনে প্রায় সবটুকুই চিন্তা আর ইমোসন ।

হয় মানুষ ভাবে , আর ভাবতে ভাবতে সায়ণ্যে এসে পড়ে । না হয় তার সময় কাটে হাসি কান্না রাগ খোভ এর মত ইমোসনের মধ্যে দিয়ে । যখন মানুষ একটি বাস্তবতায় থাকে এবং বাস্ববতাকে চেতনায় ধারন করে , তখন তার না আসে চিন্তা না আসে আবেগ ।

যে কোনো কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই বাস্তবতায় থাকা ।

ভিটামিন সি এবং করোনা ভাইরাস

বেইজিং মিলিটারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এবং সিইও চেন হরিনকে সবচেয়ে অথেন্টিক আর সহজ মনে হোয়েছে , তার কথাতেই আশার আলো দেখে লেখাটি লেখা ।

Slices of lemon in a cup of lukewarm water can save your life.

Chen Horin, CEO, Beijing Military Hospital

প্রত্যেকটা মানুষের শরীরে প্রত্যেক দিনের ভিটামিন সি প্রত্যেকদিনেই নেওয়া দরকার , আজ আপনি যে ভিটামিন সি খেলেন কালকে তা কোনো কাজে লাগবে না । আমাদের গলাতে ছোট ছোট ঘমবিচির মত আছে, জিহবার ভেতরের দিকে তাকালে সেটা দ্যাখাও যায় । আমার কাশিদেই ছোটছোট সেই ঘামবিচির মত গ্লান্ড গুলোতে ঝামেলা হোলে ।আমাদের গলা খুসখুস করে আর আমার কাশি দেই । বেশির ভাগ রোগের লক্ষন প্রকাশ পায় এভাবেই , প্রথমে আমার কাশি দেই ==> তারপর আমাদের সর্দি (Flu ) হয় ==> তারপড় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, মানে জ্বর ।
করোনা ভাইরাসের লক্ষনও এভাবেই আমাদের মাঝে প্রকাশ পাবে ।

প্রফেসর চেন হারিনের পারামার্শ এরকম :

একটা লেবু তিন ভাগে কাটুন তারপর সেগুলো একটি গ্লাসে রেখে তারমাধ্যে মোটমুটি গড়ম পানি ঢালুন । এটাকে ক্ষারীয় পানিতে (alkaline water)রুপান্তর করুন । পান করুন ।

কৈফিয়ত : আমি ডাক্তার বা ঔষধ বিশেষজ্ঞ নই । তারপরও কেন এটা লিখলাম । কাল সাকালে মা ফোন দিয়েছিল বলল, ৭টা তুলসি পাতা খেয়ে সূর্যকে প্রনাম কোরতে । কাল আমার বন্ধু বলল কোন মন্ত্রিকে যানি কারোনায় ধোরেছে, দেওয়ান বাগিকে নিয়ে মজা কোরে দেওয়া করোনার পোস্ট দেখেছি । প্ররসোনাল ম্যাসেজে পরিচিত জন থেকে ম্যাসেজ পাচ্ছি । ভয়ানক গুজবের মধ্য দিয়ে দেশ যাচ্ছে । আর কোনাটা সঠিক কোনটা ভুল যাচাই করা অসম্ভব ।
সেজন্য লেখাটা লেখা ।

আমি পারসোনালি চেন হারিনকে চিনি না । কেই যদি তার লেখাটা পোড়ে থাকেন আমাকে পাঠাবেন । আমার কোন বন্ধু ডাক্তার , অথবা বিশেষজ্ঞ কেউ যদি আমার সাথে সহমত কিম্বা দিমত প্রকাশ করেন যানাবেন ।

আমাদের দেশ জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী নিয়ে আসম্ভব আয়োজনের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে । সরকার বেশির ভাগ টাফ সিদ্ধান্ত আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রির নির্দেশেই নেন । তার মত টাফ এবং প্রজ্ঞা ভরা সিদ্ধান্ত অন্যের কাছ থেকে আশাও করিনা ।

আমাদের এর মধ্যেই উৎসব চালাতে হবে । ওনাকে কেউ এই মুহুর্তে কেউ বলতেও সাহস পাবেনা । যে ভাইরাস নিয়ে আরেকটা টাফ সিদ্ধান্ত নিতে হবে ।

উৎসব চলুক উৎসবের মত , এখন সাধারন মানুষেকে ভয়ানক সচেতনতার মধ্যদিয়ে যেতে হবে ।