ভূমিকা

একটা ভিক্টিম প্লের ভূমিকা লেখকের থাকতে হয়। জীবনান্দের ট্রামে কাটা পড়ার মত । আবার লেখক সবচাইতে শক্তিশালীও হয় । ভিক্টিক প্লে তার সাথে যায় না । তবে সমসাময়িক বাস্তবতা না বলে গেলে বিচার তৈরী হয়না ।

একজাইলে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের বাতিঘড়ের সলিটিউডে মানজিলার সাথে পরিচয় । ওর সাথে কথা বলতে বলতে মনে হল লেখার তাগিদ অনুভব করছি। জীবনের আরেকটু গভিরে কি আছে সেটাকে শব্দের স্পস্টতায় আনা জায় সেটা ওর সাথে কথা বলে আবিস্কার করলাম । কোন শব্দই যে ফেলনা না । যেভাবে আমি ফোনেটিক শুনি সেভাবেই যে লেখা দরকার । তাইলেই যে অনুভূতির বোধ শব্দে আসে পুনআবিস্কার হল ।

হিচকক, কুবরিক, ফিনচারের ফয়েডিয়ান সাইকো এনালাইসিস কাঠামোর স্টাইলে এই ফিকসনের ঘটনা আগাবে । এখানের চরিত্রগুলো বাস্তব। তেমনি আমার এনালাইসিস টা আমার তৈরী । চরিত্রগুলোর জীবনের টাইমলাই আমার টাইলাইনের সাথে যখন মিশেছে তাতে তাদের জীবনের যে উপলব্দি আমার হয়েছে তার থেকে এই কাঠামো বা গল্প তৈরী হয়েছে ।

ভুমিকাতে কি পড়তে চাচ্ছেন তা থাকে । এগুলোই লিখবো । লেখার পড়ে ভুমিকাটা চেন্জ করতে না হলে বুজবো যা লিখেতে চাচ্ছি পাড়ছি।

গ্রিকপা

দুরথেকে যদি হৃদকম্প শোনা যেত
শোনাযেত আর্তনাদ মোনাজাতের শুরে
শুনে দেখতাম আজো কি বয় উত্তাল শ্রোত
গ্রিক পায়ের তলা থেকে ঘাড়ে অধরে।

কি ব্যাথায় নৈশব্দ হয় প্রতিশোষ
অনেক ছোয়ার পুলকে অন্ততুষ্টির রোগ
ছুটে চলা ভুল রাস্তার কৃষকায় ক্ষোভ
পুলককে ভেঙ্গে যন্ত্রের দানব হোক।

রাস্তা যতদুর দেখা যায় অপেক্ষায়
প্রত্যাসার অন্তর্দৃষ্টি মিলাবে আবার
জীবন রসের রসনা যত
এরও পড়ে সময় ধীরে বয়ে যায়।

নতুন চোখ

দুরের অবয়ব ধুসর হোয়ে আসে
হারিয়ে ফেলতে হয় তাকে নিমেশে
ঝলকেই যার কুর্নিস বেড়িয়ে
নতুন চোখ নতুনেই হাসে।

রাতের ছায়া মায়হীন মমতা
শুয়োরের পাল জাবর আনন্দে ভাসে
জ্যামিতক পথ প্রান্ত দেখিয়ে
অস্তিত্ব নীরে নিয়ে আসে।

ঈশ্বরীয়

ধক করে ওঠে
ঈশ্বরী আসে
যখন।

দুমরে মুচরে যায়
সেখানটার ভেতরটায়
যখন দেবী মুখছবিতে
ধরা দ্যায় আবার
ধরা দেয় বারবার।

মুচরিয়ে ওঠে
সেখানটায় ভেতরটায়
যখন দেবী আসে।

মুখছবি নিয়ে সে আসে
মধ্যরাতে।
ঘুম ভাঙ্গা কালে
কলে আকালে
ঈশ্বরী আসে।