ভিটামিন সি এবং করোনা ভাইরাস

বেইজিং মিলিটারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এবং সিইও চেন হরিনকে সবচেয়ে অথেন্টিক আর সহজ মনে হোয়েছে , তার কথাতেই আশার আলো দেখে লেখাটি লেখা ।

Slices of lemon in a cup of lukewarm water can save your life.

Chen Horin, CEO, Beijing Military Hospital

প্রত্যেকটা মানুষের শরীরে প্রত্যেক দিনের ভিটামিন সি প্রত্যেকদিনেই নেওয়া দরকার , আজ আপনি যে ভিটামিন সি খেলেন কালকে তা কোনো কাজে লাগবে না । আমাদের গলাতে ছোট ছোট ঘমবিচির মত আছে, জিহবার ভেতরের দিকে তাকালে সেটা দ্যাখাও যায় । আমার কাশিদেই ছোটছোট সেই ঘামবিচির মত গ্লান্ড গুলোতে ঝামেলা হোলে ।আমাদের গলা খুসখুস করে আর আমার কাশি দেই । বেশির ভাগ রোগের লক্ষন প্রকাশ পায় এভাবেই , প্রথমে আমার কাশি দেই ==> তারপর আমাদের সর্দি (Flu ) হয় ==> তারপড় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, মানে জ্বর ।
করোনা ভাইরাসের লক্ষনও এভাবেই আমাদের মাঝে প্রকাশ পাবে ।

প্রফেসর চেন হারিনের পারামার্শ এরকম :

একটা লেবু তিন ভাগে কাটুন তারপর সেগুলো একটি গ্লাসে রেখে তারমাধ্যে মোটমুটি গড়ম পানি ঢালুন । এটাকে ক্ষারীয় পানিতে (alkaline water)রুপান্তর করুন । পান করুন ।

কৈফিয়ত : আমি ডাক্তার বা ঔষধ বিশেষজ্ঞ নই । তারপরও কেন এটা লিখলাম । কাল সাকালে মা ফোন দিয়েছিল বলল, ৭টা তুলসি পাতা খেয়ে সূর্যকে প্রনাম কোরতে । কাল আমার বন্ধু বলল কোন মন্ত্রিকে যানি কারোনায় ধোরেছে, দেওয়ান বাগিকে নিয়ে মজা কোরে দেওয়া করোনার পোস্ট দেখেছি । প্ররসোনাল ম্যাসেজে পরিচিত জন থেকে ম্যাসেজ পাচ্ছি । ভয়ানক গুজবের মধ্য দিয়ে দেশ যাচ্ছে । আর কোনাটা সঠিক কোনটা ভুল যাচাই করা অসম্ভব ।
সেজন্য লেখাটা লেখা ।

আমি পারসোনালি চেন হারিনকে চিনি না । কেই যদি তার লেখাটা পোড়ে থাকেন আমাকে পাঠাবেন । আমার কোন বন্ধু ডাক্তার , অথবা বিশেষজ্ঞ কেউ যদি আমার সাথে সহমত কিম্বা দিমত প্রকাশ করেন যানাবেন ।

আমাদের দেশ জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী নিয়ে আসম্ভব আয়োজনের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে । সরকার বেশির ভাগ টাফ সিদ্ধান্ত আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রির নির্দেশেই নেন । তার মত টাফ এবং প্রজ্ঞা ভরা সিদ্ধান্ত অন্যের কাছ থেকে আশাও করিনা ।

আমাদের এর মধ্যেই উৎসব চালাতে হবে । ওনাকে কেউ এই মুহুর্তে কেউ বলতেও সাহস পাবেনা । যে ভাইরাস নিয়ে আরেকটা টাফ সিদ্ধান্ত নিতে হবে ।

উৎসব চলুক উৎসবের মত , এখন সাধারন মানুষেকে ভয়ানক সচেতনতার মধ্যদিয়ে যেতে হবে ।

আমার ওকার টা দরকার ।

আমি কিছু লিখলেই আমার কাছের লোক যে খুব আমাকে ভালবাসে, যার আমার জন্য সময় আছে বলে বনান ভুল । আমি জানি আমি ইচ্ছা কোরে লিখেছি আর আমার ইচ্ছাটাই এই ভালবাসার লোকটার কাছে সবচেয়ে প্রিয় । কিন্তু আমি সহজ কোরে এটাকে প্রকাশের ভাষা পাচ্ছিলাম না , আজ পেয়েছি ।


আমি লিখি কোরেছে ,কোরতে বাংলা একাডেমির ডিকশনারিতে করেছ, করতে ।


আমার এই শব্দ গুলো ব্যাবহার কোরতে ছ্যাবলামি লাগে কথা বলার সময় এগুলো আমি ব্যাবহারও করি না ।
কোরেছ এর মধ্যে যে অধিকার আছে সেটা করেছর মধ্যে নাই ।

”আমার ওকার টা দরকার ।”

এই বিষয়ের একটা রাজিনীতি ও আছে ।
বাংলা শুদ্ধ ভাষা দুইটা একটা শান্তিনিকেতনি আর একটা বিক্রমপুরি ।
এই রাজনীতিতে আমি পড়ি না ।
আমার ভাষাটা সুশেনি ।

ওয়ার্ক এথিক্স

আন্যকে এমন কাজ দিন যা সে কোরতে পাড়ে। দেওয়া কাজটা কোরতে পাড়লে দুজনের মধ্যে এমন মধুর সম্পর্ক তৈরী হয় যা প্রথম প্রমে পড়া সম্পর্কের মত।
অন্যকে আপনি প্রথমেই যদি এমন কাজ দ্যান যা সে ভাবছে কোরতে পাড়বে কিন্তু পড়ে দ্যাখ্যা গেল পাড়ল না। আপনাদের সম্পর্কটাই ভেঙ্গে যাবে।
আর শুরুতেই আপনি যদি এমন কাজ দেওয়া আরম্ব করেন যে কাজটা দিচ্ছেনেই ফেইল হওয়ার জন্য। তাহলে আপনি আপনার চারদিকে আসফলতার বিজ বুনছেন।
–সুশেন বিশ্বাস
২০-০২-২০২০