কারা যে বাঙ্গালী হোয়ে আজ চায়?
শুদ্রের মত কৃষি জমি
কিন্তু সে জমিকে আতঙ্কিত করতে চায়।
সে চায় চাকমার পাহার
কিন্তু সে পাহাড়কে আক্রমণ করতে চায়।
সে চায় সুন্দরী আর গোলপাতার পাটি
কিন্তু সে বনদেবীকে করতে চায় ধর্ষন।
সে সব কিছুকে চায়
প্রেমিক হৃদয় বোঝেনা
এমন চাওয়ার প্রেম, উৎপাদন করেনা।
সে আজ মন থেকে বিতাড়িত
ফসল তাকে না চেয়ে নিস্ফলা
পাহার তাকে বিনিময় করবে যা পেয়েছে।
এ ভূমি ধর্ষিতায় বোধন হওয়া ধর্ষকের ভূমি।
এ ভূমি কর্ষকের ভূমি।
Category: লেখা
জন্মেছে মৃত গোলাপ
জমেছে অনেক ঋন
ঠোঁটে ঘাড়ে গালে
শোধ নেবে শব্দ
আর মহাকালে।
ধ্যানে মগ্ন মহাদেব
ধংশ থামতে নতশীরে
ব্যাস্ত যখন কালের অকালে
পার্বতির বেশে উর্বশি ছিলে।
তান্ডবের ঝঙ্কার বিন্দুতে আজ
গন দেবতার সব বোকার সাজ
শিশুতোষ কৌতুহল শবের সমাধি
ভয় পেয়ে ইন্দ্রের ঝলকানির বাজ।
সংহার পিন্ড গলা নদ ভারি
পালাবার পথ গেছে মুছে
গড়িয়ে কষা লাল কনিকা
তোমার ঋনের বোঝা বইছে নগরী।
তোমার পায়ে নিচে যে ভুলে এসেছিল
ভবেছিল শর্বরীর ক্রোধ হবে তৃপতাকা
তোমার মুকুটে ধোয়া ওঠা পঞ্চদশ দল
প্রজ্ঞার কপালের তাই কৃষ্ণপক্ষ ফল।
সুশেন বৌক্লার রাজনীতি
আমি সংলাপিয় প্রজ্ঞার পক্ষে, সাধুতার ভন্ডামিতে যেখানে বস্তুুবাদি সংলাপ ঢাকা পড়ে সেখানে নৈরাজ্য অবসম্ভাবি। নৈরাজ্য অজ্ঞেয়বাদকে সর্বচ্চস্তরে নিয়ে যায়। মানুষ বুদ্ধির ভয়ংকর সংকটে মিশতে পাড়েনা কোন যুক্তির সাথে।
আমি গনতন্ত্র চাইনা, চাই উদার গণতন্ত্র।
পেশাজীবিদের সর্বচ্চ সদ্ব্যাবহার, মর্জাদার ব্যাবস্থায় করতে চাই
সিটিজেন কেনের রোসবার্ড
চলচ্চিত্রের গ্রামার থেকে বাংলা বানান নীতি খুব ভোগাচ্ছে , কিন্তু এই গ্রামাটিকাল চলচ্চিত্রটি নিয়ে না বললে ঋণ থেকে যায় । বিভিন্ন টাইপের শর্ট কাট শিখেও চারদিকের ফ্লিম মেকাররা গল্পটা কেন শেষ প্রজন্ত্র বলে উঠতে পাড়েনা সেই উত্তর এই লেখাটায় খোজা হয়েছে । ভূমিকা শেষ আলাপে আসি ।
সিটিজেন কেন একটি চমৎকার চলচ্চিত্র তাতে খুব কম মানুষেরেই সন্দেহ আছে। রবার্ট উইস চমৎকার এডিটিং করেছেন, ভ্যান নেস্ট তার আর্ট ডিরেকশনের জন্য ইতিহাসে থেকে জাবেন, সর্বপোরি ওরসন ওয়েনসকে অমর করে রাখবে এই চলচিত্র টি,বোদ্ধাদের কাছে যেমনি সাধারন মানুষের কাছে ঠিক তেমনি ।সিটিজেন কেন চরিত্রটিতেই ওরসন ওয়েলস বেচে থাকবেন যতদিন চলচিত্র নামক বস্তুটি থাকবে।
পুরো চলচিত্রটিতে যে শব্দটা নিয়ে খেলা করা হয়েছে তার নাম ” রোসবর্ড” ।এই শব্দটা দিয়ে শুরু আর শেষ হয়েছে এই শব্দটা দিয়েই ।এটাকে আমরা দর্শক ধোরে রাখার কৌশন বলি আর ” আন্টিসিপেসন” বলি যাই বলি শব্দটার মহত্ব আছে।পুরো চলচ্চিত্র জুরে ব্যবহার হয়েছে শব্দটা।
চলচিত্রটির প্রথম বার কেনের মৃত্যুর সময় ব্যবহার হয়েছে শব্দটি।জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..
দ্বিতীয় বার কেনের মৃত্যুর সময় ব্যবহার হয়েছে যে শব্দটি তা বার বার বলতে থাকে ,খুজে বের করার পরিকল্পনা করা হয় এবং কে সে বা সেই বস্তু তার খোজে বেরোয় একদল রিপোর্টার। আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..
তৃতীয় বার শুশান আলেকজান্ডা এর সাথে কথা বলতে না পেরে তাকেই মনে করা হয় ” রোসবর্ড” এবং এই কথাটি উঠে আসে টেলিফোনে কথপোকথনের মধ্য দিয়ে।* শুশান আলেকজান্ডা তরিয়ে দেয় রিপোর্টর দের। আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..
চতুর্থবার তার ছোটবেলা থেকে ৬০ বছর দেখানোর পরে ডাইরি ক্লোজ করা হয় ঐ খানের কর্মরত নরীকেই বলা হয় সে ” রোসবর্ড” কিনা । *কেনের ছোট বেলা জানতে পরি আরও জানতে পারি কিভাবে কেন নিউজপেপার ব্যাবসায় নামে কিন্তু “রেজবর্ড” সমস্যার সমাধান হয় না আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. ..কিন্তু এখানে পাওয়া যায় মি. বার্নস্টিকে
পঞ্চমবার বোর্ঢের চেয়ারম্যন মি. বার্নস্টিনের কাছে জানতে চাওয়া হয় ” রোসবর্ড” সমন্ধে।*সে কি কৌশলে নিউজপেপার ব্যবসাচালাত সেখান থেকৈ
আরম্ব করে এমিলি নরটনের সাথে কিভাবে বিয়ে হয় তা বলে কিন্তু চাপা পরে যায় ”রোঝবার্ড” আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. .. কিন্তু এখানে পাওয়া যায় কেনের বন্ধু মিষ্টার লিল্যান্ডকে
ষষ্ট বার এই শব্দটার অর্থ জানতে চাওয়া হয় কেনের বন্ধু মিষ্টার লিল্যান্ড এর কাছে।*সে কেনের গভর্নর নির্বাচনের প্রচর থেকে আরম্ব করে কিভাবে নরটনের সাথে বিচ্ছেদ এবং শুশান আলেকজান্ডার এর সাথে কিভাবে বিয়ে হয় সব বলে কিন্তু চাপা থাকে শুধু ”রোসবর্ড” রহস্য আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. .. এখানে পাওয়া যায় আবার কেনের স্ত্রী শুশান আলেকজান্ডাকে ।
সপ্তম বার আবার শুশান আলেকজান্ডার এর কাছে যাওয়া হয় ” রোসবর্ড” কি বা কে তা জানতে।*সে সব বলে তার সাথে প্রথম দেখা থেকে শুরু বিচ্ছেদ প্রজন্ত শুধু বলতে পারেনা ” রোজবর্ড” সমন্ধে আরও জমে ওঠে ” আন্টিসিপেসন”টি.. .. .. কিন্তু এখানে পাওয়া যায় জেনেডু প্যালেসের ” প্রধান কর্মচারিকে যে তদের শেষ কথার সময় উপস্থিত ছিল ।
অস্টমবার ”জেনেডু প্যালেসের ” প্রধান কর্মচারির কাছে জানতে চাওয়া ” রোসবর্ড” সমন্ধে ।প্রধান কর্মচারির কাছ থেকে জানা যায় যখন শুশান আলেকজান্ডার কেনকে ছেরে যখন চলে যায় তখন এই ” রোসবর্ড” শব্দটি সে উচ্চারন করে এবং এর বেশি কিছু সে জানে না।
চলচিত্রের শেষে এই রহস্য যদিও উৎঘাটিত হয় তবে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো কিভাবে একটা শব্দের আন্টিসিপেসন দিয়ে বলা হয়েছে এত ঘটনাবহূল একটি মানূষের জীবন যে নিজে চালাত কয়েকটি সংবাদপত্র এবং আজীবন নিজেই ছিল সংবাদ.. ..
শর্টকাটে কিম্বা লংকাটে জাম্পকাটে ম্যাসকাটে গল্প বলা জায়না ওটা স্নাপশর্ট সাজানোর পদ্ধতি, কিম্বা স্মৃতির রি ক্রিয়েশন । এটা মাথা কিম্বা পর্দা দুই জায়গাতেই বিরক্তিকর। পূর্বধারনার ধারনা থেকে ভাবা লাগে। একটা চলচ্চিত্র হতে গেলে তখন মানুষ সেটা শ্রেনীভেদে সেবন করে ।
যৌনতা, চেতনা এবং অমরত্ব
আজ যে প্রানকুল আমরা চারিপাসে দেখি তারা এই অর্থে অমর যে প্রান সৃস্টির পড়ে এখনও তারা বহুকাল প্রজন্ত প্রান সৃস্টির প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে এবং জ্বিনগত অমরত্ব রক্ষা করবে।
যৌনতা হল সেই পুরস্কার যা আমরা প্রান তৈরীতে পেয়ে থাকি। এটা একটা প্রক্রিয়া।
এই প্রক্রিয়াটা দীর্ঘ এই অর্থে যে একটা নতুন প্রান ধর্ষন কর্ষন এর ফলে তৈরী না হয়ে যদি প্রনয় প্রেমের মধ্যে তৈরী হয় তবে প্রানটিকে বাচিয়ে রাখতে যে সংযুক্তি সম্পৃক্ততার দরকার হয় তার প্রশিক্ষন সহ আমরত্বের প্রবাহটা ঠিকঠাক মত চলে।
ধর্ষন এজন্যই সামাজিক এবং অন্য প্রাতিষ্টানিক কাঠামোতে প্রান প্রবাহের পরিপন্থী এবং যুদ্ধ কালিন ধর্ষন সভ্যতায় প্রনয়হীনতার দাগ রেখে যায়। যারা সফল যোদ্ধা তাদের শরীরের আনন্দবিন্দু আবিস্কারের প্রক্রিয়ায় যুদ্ধ ফলের সবকিছু ব্যায় হয়, সেটা হতে পাড়ে নারী, কৃতদাস, অধিকৃত সম্পদ। যোদ্ধার জন্য যেটা অধিকার তার ব্যাবহৃত জিনিস গুলোর জন্য তা হয় অপব্যবহার, অবিশ্বাসের। এই শিক্ষা চারিদিকে আরও অপব্যবহার এবং অবিশ্বাস তৈরী করে। তার সেই অবিশ্বাস আরও যুদ্ধ এবং সেই যুদ্ধ আরও র্ধষনের তৈরী করে। এটাই এখন বিশ্বব্যাপি চলমান ব্যাবস্তা অচেতনতার অবক্ষয় এবং নিস্প্রভ মৃত্যু।
ভুমধ্যসাগরিয় যুদ্ধাবস্থার প্রাকৃতিক পর্যলোচনা এই লেখার নির্মানে ইতিহাসিক তর্কের উদ্রেক করতে পাড়ে তাবে এই ভুমধ্যসাগরিয় অঞ্চলের বাইরে বহুদুরে যে বাগানবিলাসি, ফুল ও ফলরাসি, উচ্চহাসি আর রাগমোচনের যে বর্ননা তা এখনও পাঠযোগ্য এবং তার বৈপরীত্যে উপভোগ্য।
সামাজিক স্তরে অমরত্বের প্রবাহ টা ঠিক রাখার আগের নরনারীর বোঝাপড়াটাই প্রেম। সেটা উৎসবে উৎসবে যে ঢেউ তৈরী হয় তাতে আগায়।
এই কৃষি কৃস্টি নরনারীর বোঝাপড়া তৈরীতে রাগ, অনুরাগ আর যে রাগমোচনের নৃত্য গীতের মধ্য দিয়ে যায় তাই প্রেম আর এই প্রেম প্রনয় থেকে তৈরী হয়।
কৃষ্টি শব্দটি রাবিন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সহকারি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় কে দিয়ে সংস্কৃতি বানিয়ে ফেলেছে সেটা অন্য গল্প সে গল্পে যাচ্ছিনা তবে সংস্কৃতিক উৎসব বলতে আমরা যা বুঝি তা যে কৃষি কৃস্টি আর সংস্কৃতিক আগ্রাসন যে প্রনয়ের মঞ্চের দীর্ঘ সভ্যতার ভাঙ্গন সেটা বুঝতে শব্দের বন্ধত্বের ধারাবাহিকতার চেতনা লাগে। এবারে সংস্কৃতিক আগ্রাসন বোঝা যাবে। ইসলামিক নরনারীর প্রেম পর্দা সর্বস্য, পর্দার আড়ালে বোধকরি তাহা সুমিষ্ট দেখেছি অনেক পর্দানশীলাকে তার সঙ্গীনির নাম বলতেই সারা শরীর নেচে উঠেছে, এই পর্দানশীলার সামাজিক অবয়বের কাছে সংস্কৃতিক আগ্রাসহ হল বে পর্দা নরনারীর অমরত্বের প্রক্রিয়াতে অংশগ্রহন করা।
কৃষ্টি থেকে আগাতে গেলে প্রনয়ের একটা শুদ্ধ পথপরিক্রমা আমরা পাই, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মিশ্রপ্রনয় তা কিভাবে বহুশুদ্ধ আসম্ভব করে ফেলেছে এবং তা কিভাবে ধর্ষনিয় অপব্যাবহার তৈরী করে তার আলাপের প্রসাঙ্গিকতা পড়ে তুলছি।
কথক এর মুদ্রার একটা অস্পষ্ট গল্প আছে যা মানুষের জন্ম, বেরেওঠা, নরনারীর দৃস্টি বিনিময়, ছোয়া, পলায়ন, শরীরের যৌনবৃত্তিয় পরিবর্তন, সঙ্গম, সন্তান এবং আবার জন্মকে নির্দেশ করে। প্রনয়সূত্র কামসূত্র আনন্দবাগান ধরনের সাহিত্য পরিবেশ নির্দেশক। কৃষি কৃস্টির সভ্যতায় প্রনয় থেকে যে প্রেমের উদ্ভব হবে তাতে এই গল্প আর পরিবেশ লাগে।
সহজিকরনে
“আঙ্গুল বাগানে শৈগো কমলা বাগানে,
পূর্মামা রাসে, চোখে চোখ হাসে।
আমার বাড়ি নদী ছারি সামনের রাসে হাত ধরি,
পরের রাসে পিঠার খেয়ে মধুর চুম্বন যদি পাড়ি,
পড়ের দোলে দুলুনিতে যদি প্রনয় হয়,
শরীর তখন বুঝবে সন্তানের হৃদয়। “
মানে প্রত্যেক পূর্নামা আমাবস্যাতে নরনারীর কোন একটা উৎসবে দেখা হয়, তাদের চোখাচোখি হয়, হাত ধরাধরি তারপড় একে অন্যের বাড়িতে অমন্ত্রিত হওয়া তারপড় হয়ত চুম্বন তারপড় প্রনয়। এই প্রনয়ের আগে প্রেম হওয়া সম্ভব না। এই টুকু সামাজিকিকরনের মধ্যেও পড়ে না। এর পড়ে সামাজিকিকরনের উৎসব তৈরী হয়, নরনারী যদি কোন সংকটের মধ্য দিয়ে যায় তখন প্রনয় গভিরতর হয় আর প্রেম অবসম্ভাবি হয়ে ওঠে।
প্রনয় না হলে সংকটকালে প্রনয়নী দুরে সরে যায়।
এগুলোই মোটাদাগে প্রাথমিক প্রস্তাবনা।
অমরত্ব হীন মানবিয় কিম্বা বিভৎস প্রক্রিয়ার কথা বলি।
যুদ্ধ যোদ্ধা ধর্ষন যে যৌনাকাঙ্খার তৈরী করে সেখানে দুয়ের অধিক জনের অংশগ্রহন হয়, তিনজনের, চারজনেন কিম্বা তারও অধিক জনের অংশগ্রহনের যৌনাচার আমরা দেখি। এখান থেকেও বীরেরা তাদের আনন্দ হয় এমন নর কিম্বা নারী অন্য নারীকে পছন্দ করে। এই যৌনাচার সন্তান উৎপাদন করেনা।
আরেকটা দৃষ্টিকোন বলি। সামর্থবান নারী পুরুষ পৃথিবীতেই কম আছে, যাদের কারনে সামর্থবান ভবিষ্যত প্রজন্ম তৈরী হবে। এরা সম্পন্ন যৌনতায় অংশগ্রহনেও অক্ষম, তার ফলাফল ও অক্ষম নিকৃষ্ট মানবগোষ্ঠী তারা সম্পন্ন যৌনাকাঙ্ক্ষার জন্য অনেকে মিলিত হয় কিম্বা পুরুষ এবং পুরুষে মিলিত হয় কিম্বা নারী নারীতে মিলিত হয়। এবং সম্পন্ন নারী পুরুষের কিম্বা অসম্পন্ন নারী পুরুষেরা দ্বায়িত্বহিন যে সন্তান উৎপাদন করে তার প্রতিপালনে কাজে লাগে। এই পিতৃত্ব কিম্বা মাতৃত্ব তাকে বেশি বয়সে সঙ্গের নিশ্চয়তা দেয়।
যুদ্ধ এবং অসর্থমানুষের অমরত্বের বাসনাহীন ক্ষিন জীবনের আলোচনা এবং চেতনার সম্পর্ক দুটোই অমরত্ব নির্দেশক। কোন চেতন জীব চায়না অচেতন হতে। মানে সব চেতনাই অমর হতে চায়।
ক্লাসিকাল অমরত্ব হল জিনগত এবং জীনের প্রতিপালন। এজন্য নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী কে তার গোস্টির রক্তের মধ্যে সন্তান উৎপাদনের বিধিনিষেধ আছে এবং এই নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী বেশিরভাগই মাতৃতান্ত্রিক, নৃতাত্ত্বিক গোস্টিগুলো যখন মুলপ্রবাহর সাথে মিশে পুরুষতান্ত্রিক হয়ে ওঠে তখনও তাদের মায়ের বংশের রক্ত মিশ্রনের বাধার প্রথা পদ্ধতি চালুথাকে যদি তাদের রক্তের শ্রেনী গুলো আধুনিক ল্যাবরেটরির মাপঝোকে ভিন্ন এবং এই সংমিশ্রণের প্রথা পদ্ধতি হাস্যকর।
চেতনা পৃর্বস্মৃতি থেকে আসে, এই স্মৃতি সংরক্ষণের পদ্ধতি ক্ষয়িষ্ণু, মানুষ্য মস্তিষ্ক অথবা তৈরী হওয়া বিকল্প স্মৃতি ধরনের যন্ত্র স্মৃতি সংরক্ষণের পড়ে তা ক্ষয়হিন ভাবে সংরক্ষণে অক্ষম। ক্ষয়িষ্ণু স্মৃতিথেকে পূর্নচেনতা পাওয়া যায় না।
আমরা যদি মনে করি স্মৃতিহীন নতুন শরীর অমরত্ব নির্দেশক নয়, অথবা ক্ষয়িষ্ণু চেতনার স্মৃতিও অমরত্ব নির্দেশক নয়। তাহলে উন্নত সন্তান এবং অক্ষয়িস্নু স্মৃতি সংরক্ষণ ব্যাবস্থা তৈরীর নিরন্তর পথচলা আমাদেরকে সাইবোর্ড বা দেবত্বে রুপান্তর করবে।
পৃথিবী সেই প্রবনতায় ধাবমান, প্রনয় প্রেমেই তার চালক, যে যত্নে হাজার বর্সি সন্ন্যাসী তার প্রেম সম্পদকে তালপাতায় স্মৃতি হিসেবে লিখে রেখেছিল তাই আজ আমাদের যৌথ স্মৃতি। যৌথস্মৃতির লাইব্রেরী হিন আমরা জঙ্গলবাসি বাদর।
উন্নতজিন আর স্মৃতির অসামর্থ আমাদের যে বুদ্ধিবৃত্তিতে অভস্ত করে দিচ্ছে তার যদি চেতনা তৈরী হয়, তা আমাদের আরো অনুন্নত এবং বিস্মৃত পদার্থে পরিনত করবে। তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে অমর মানুষের লড়াই চলমান। অস্পষ্টতার বিরুদ্ধে জীনের লড়াই সৃষ্টি থেকে, তার প্রনয় যে যৌক্তিক কাঠামো তৈরী করেছে তার অবয়ব মানুষ্য শরীর কাঠামো এবং এর পরিবর্তন হোচ্ছে প্রনয় চেতনা থেকে। এই প্রনয় চেতনা এই কাঠমোর আরও উতরোত্তর পরিবর্তন করবে।
পরিশেষে এই উপাস্থপনার কোন অংশে বিষদ ভাবনা কথোপকথনের জ্ঞান থেকে আবার লেখা যাবে। সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে যোগাযোগ করুন।
ডেভিন
অন্যান্য এ.আই টুলসের মতই তোমার সাথে কথা বলতে পাড়ে। তুমি বুঝিয়ে বললে উত্তর দেয়।
এর মানে ওকে বাননো হয়েছে তোমাকে সাহায্য করার জন্য।
ওর একটা বিশেষত্য আছে। ওকে তুমি সফটওয়্যার বানাতে বলতে পাড়ো ও ঠিক তোমার মতই রিসার্চ করে টুলটা বানাবে।
ও কিন্তুু টুলটা ব্যাবহার করে নিজে পয়সা জমাবেনা, এটা করবে তুমি।
আগে তোমাকে কোন টুল বানাতে অনেক সময় নিতে হত ও সেটা অল্প সময়ে করে দিচ্ছে। কিছু টুল বানানোর কথা তুমি চিন্তা করতে না যে এতে যে সময় আর লোকবল দরকার সেই অর্থ তোমার নেই, এখন তুমি ওই ধরনের টুলস বানানোর সাহস করবে।
এটাই তো। ডেভিন তোমাকে এভাবেই আরও বেশি তোমার কাজেই সাহায্য করবে।
ব্যাবহারের লিংক : https://preview.devin.ai/ , https://www.cognition-labs.com/
অস্বথবৃক্ষ
কমপ্যাক্ট লারনিং
কোন কিছু শিখতে হলে সেটা নিয়ে পড়ে থাকতে হয় । এমনকি সেটা মাথায় না ঢুকলেও । একটু ব্রুটাল মনে হল । আসলে শিক্ষা এক ধরনের শাস্তি । এই শাস্তির মাঝের পুরুস্কার থেকে শিক্ষা হয় । শাস্তি গুলো ভুলে যায় মনে থাকে পুরুস্কারের আনন্দ আর ম্মৃতি ।
শিক্ষার জন্য এই আনন্দ যত বেশি হয় তত শেখে ।
ধরুন আপনি সাতার শিখবেন ।
আজ পা ভিজালেন ,
কাল গোড়ালি ,
পড়শু কোমর
তারপড় ভয় পেয়ে চার দিন পানির কাছে গেলেনেই না ।
আবার আপনার পা ভিজানো থেকে আরম্ব করতে হবে , এবারে হয়ত পিঠে পানি দিতে ৫ দিন লাগিয়ে দিলেন তারপড় আবার ৭ দিন সাতার শেখার কোন খবর নাই । আবার পা ভিজানো থেকে শুরু । এবার দেখলেন নদী শুকিয়ে গেছে অথবা ক্ষরশ্রতা হয়ে গেছে । আপনার সে বছর আর সাতার শেখা হবেনা ।
এখানেই কমপ্যাক্ট লারনিং । আপনি সরাদিন সাতার শিখুন । হাটু পানি গলা পানি করতে করতে হয়ত ডুব দিলে পানি খাবেন । এটাই স্বাভাবিক পানি না খেয়ে সাতার শিখতে পেড়েছে এমন সাতারু পাওয়া মুসখিল ।এভাবে ৭ দিন নিয়ম মাফিক নাকানি চুবানি খেলে নিশ্চিত সাতারটা শিখে যাবেন ।
আমারা যারা প্রগ্রামার তাদের হাটু পানি কোমর পানি অবস্থা থেকে যখন নাকানি চুবানি খেয়েছি তারাই কিন্তু শিখে গেছি ।
আমার মতে ১৬০ ঘন্টার কমপ্যাক্ট লারনিং দরকার প্রথম কিছু শিখতে হলে ।
মানে ৮ ঘন্টা করে ২০ দিন । সপ্তাহের দুই দিন ছুটি ধরলে ১ মাস । এবার ধরুন আপনি ৮ ঘন্টা সময় দিতে পড়লেন না ভাবলেন ৪ ঘন্টা করে ২ মাসে শিখব । নিয়ম অনুযায়ী আপনার সময় ডাবল হয়ে যাবে । মানে ২ মাসের জায়গায় ৪ মাস লাগবে । এবার ভাবলেন ২ ঘন্টা করে শিখব তাহলে ৮ মাস লাগার কথা , আসলে লাগবে ১৬ মাস । মনে করলেন ১ ঘন্টা করে শিখবেন সময় লাগার কথা ৩২ মাস আসলে লাগবে ৬৪ মাস মানে সারে ৫ বছর ।
এবারে বুঝতে পড়ছেন যারা শিখবেন শিখবেন করে শিখছেন না তার কেন আর শিখতে পড়ছেন না । আপনার মনে হয়েছিল ১ মাসে শিখে যাবেন কিন্তু ফাকি দিয়ে দেখলেন বছর ঘুরে গেছে তারপড়ও কিছুই পাড়েন না ।
সমস্যাটা তৈরী হয় তখন যখন আর আমাদের মটিভেসন থাকে না । আমরা মনে করতে আরম্ব করি বিষয়টি আর আমাকে দিয়ে হবে না । আপনার শেখার পদ্ধতিগত ভুলের কারনে আপনি ঝড়ে পড়েন ।
সৃষ্টিকর্তিা সাবাইকে সমান ভাবে তৈরী করেছে । অন্যকেউ যদি ১৬০ ঘন্টায় কোন কিছুর মজাটা নিতে পাড়ে আপনিও পাড়বেন ।
সমমনাদের সাথে সহোযোগিতায় শিখুন । শুভকামনা ।
জব প্লেসমেন্ট সহ লার্নিং ।
বাংলা করলে ”শিখলে কাজ পাইয়ে দেব” অনেকটা এমন শুনায় । এই বিষয়টা নতুন না । জার্মানিতে কাপর কাটার কাচি ধরার আগে ২ বছরের ট্রেনিং নিতে হয় , কিম্বা সাইকেল সারতেও দু বছরের ট্রেনিং লাগে । আমাদের দেশেও খোজ নিয়ে দেখবেন এই কাজ গুলো করতে অনেক সময় দিতে হয় সাগরেত হয়ে , ড্রাইভার হওয়ার আগে হেলপার হতে হয় । জার্মানির সাথে আমদের পার্থক্য হল । এই ২ বছর পড়াশুনার খরচ সরকার দেয় এবং তারপড় পড়াশুনার সময় যেহেতু স্টডেন্ট কাজ করতে পাড়েনা সেহেতু তাকে ভাতা দেয়া হয় । আমাদের সরকার সেটা বোঝে না , পড়তে এলে কাজে যাওয়া যায় না । জার্মানরা বোঝে বলেই ওখানে ২ বছর পড়ে দক্ষ একজন দর্জি তৈরী হয় যে সুটও বানাতে পাড়ে আবার মোজাও ।
বর্তমান গ্লোবার ভিলেজে অনেক গুলো প্রতিষ্ঠান তেরী হয়েছে । যারা কাজ শিখাতে প্রচুর খরচ করে তারপড় কাজও খুজে দেয় । সেটা সম্ভব হয়েছে ইন্টারনেটের যোগাযোগের মাধ্যমে ।
সচ্ছতার দরকার তাই আপনার পেছনে কত খরচ হল এটা তারা বলে এবং টাকাটা কিভাবে তারা তুলবে সেটাও তারা বলে । এটাকে ”স্টডেন্ট লোন” বলে । জার্মানিতে ব্যাংক স্টডেন্ট লোন দেয় , জার্মানিতে পড়াশোনা ফ্রি , তারপড় কাজের জন্য গ্রান্ড পাবেন তারপর যদি কোন বিশেষায়িত পড়াশোনা করতে চান ব্যাংক টাকা দিবে এবং পড়াশোনার পড়ে যদি উচ্চ মূল্যের বেতন না পান লোন শোধ করতে হবে না ।
এই স্টান্ডার্ডটা সিলিকন ভ্যালি কেন্দ্রিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো মেনটেইন করে । তার আপনাকে পড়িয়ে যদি উচ্চমূল্যের বেনত না দিতে পাড়েন তবে লোনের টাকা নেয় না ।
বর্তমান পৃথিবী চলে কোডের উপর , ১০ বছর আগে যা চলত করপরেট আইডিয়ার উপর । একটা বাড়ির বাইরের রং থেকে ঠোটের রং, একটা মানুষের মাথাথেকে পায়ের ঢং সবেই পাবলিক লিমিটেড কম্পানির আইডিয়া থেকে আশে , এখন সেগুলোকে গভার্ন করে কোড । উৎপাদনে মানুষের শারিরীক পরিশ্রম আছে এবং কমছে এটাকে শূন্যের কোঠাতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলতেই থাকবে । সেজন্য সিলিকন ভ্যালির শিক্ষা প্রতিষ্টান গুলো কোডার তৈরীর চেষ্টা করছে সর্বত্র ।
ঘুম বিজ্ঞানী স্বপ্ন নিয়ে বলছে।
ঘুম বিজ্ঞান শুনেই আমার বিষয়টা ইন্টারেস্টিং লেগেছিল। ঘুম নিয়ে অযৌক্তিক বিভ্রান্তি চরিদিকে, এখনও আছে এবং ছোট ব্যাল থেকে দেখছি। কতটুকু ঘুমাব, কখন ঘুমাব, কখন ব্রেইন একটিভ থাকে। যখন রিলিজিয়ন ডোমেইন থেকে পরামর্শ আসে তখন বিভ্রান্তিটা স্বর্গীয় পর্যায়ে চলে যায়।
ম্যাট ওয়াকারের কথা শুনে বিভ্রান্তির বিলুপ্তি হয়েছে। ম্যাট ওয়াকার কে প্রথম লেক্স এর পডকাস্টেই শুনি।
উনি বড় ইন্টারভিউতে ফাস্টিং নিয়েও বলেছে। ফাস্টিং বিভ্রান্তি এখন চরমে, আমার এক বন্ধুর বিভ্রান্তি যখন হ্যালুসিনেসনের পর্যায়ে চলে যায় আমিও তাতে প্রভাবিত হয়ে ফাস্টিং আরম্ব করি, এটাতে কিছু মস্তিস্কের ক্ষতি আমারও হয়েছে।
বড় ইন্টারভিউ দেখার পড়ে সেটা থেকে বেড়িয়ে আসতে পেড়েছি।